বেইলি ব্রিজের পাটাতন দেবে ভালুকা-গফরগাঁও সড়কে যান চলাচল বন্ধ


ময়মনসিংহের ভালুকা-গফরগাঁও সড়কের সুতিয়া নদীর ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজটির পাটাতন দেবে গিয়ে সাতদিন ধরে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে ওই সড়ক দিয়ে চলাচলরত জনসাধারণ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

স'ানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে বালু বোঝাই একটি ট্রাক পার হওয়ার সময় ভালুকা-গফরগাঁও সড়কের সুতিয়া নদীর ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজটির একাংশের পাটাতন সরে গিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে প্রতিদিন দুই উপজেলা ও তার আশপাশের হাজার হাজার লোক নদী পারাপারসহ যাতায়াতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ব্রিজ পারের একাধিক ব্যক্তি জানান, গত ২০-২১ বছর আগে ওই ব্রিজটি নির্মিত হয় এবং অনেক আগেই এর মেয়াদকাল শেষ হয়ে যাওয়ায় ব্রিজের উভয় পাশে মালামাল পরিবহনে নিষেধাজ্ঞার সাইনবোর্ড টানানো ছিল। কিন' নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আমলে না নিয়ে যাত্রীবাহী বাস ও মালবাহী ট্রাকের ড্রাইভাররা প্রতিদিনই অতিরিক্তি মাল বোঝাই করে পারাপার করে আসছেন। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার ব্রিজটি অকেজো হয়ে পড়লেও কোনো মতে জোড়াতালি দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনসাধারণের পারাপারের উপযোগী করে। কিন' গত এক সপ্তাহ আগে আবার ব্রিজের পাটাতন খসে পড়ায় যানচলাচলসহ জনসাধারণের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের সেকশন অফিসার (এসও) ইসমাইল হোসেন জানান, ব্রিজ ভাঙার খবর তিনি আজকেই (মঙ্গলবার) পেয়েছেন। তবে ব্রিজটি ভাঙেনি, বেঁকে গেছে। ব্রিজটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস'া গ্রহণ করা হবে।
তথ্যসূত্র - নয়াদিগন্ত



ভালুকা উপজেলা নৌকার নতুন প্রজন্ম কমিটি গঠন জাকারিয়া সভাপতি,সালাউদ্দিন সম্পাদক

মোশাররফ হোসেন শুভ, ময়মনসিংহ থেকে : আতিকুল ইসলাম জাকারিয়াকে সভাপতি ও মোঃ সালাউদ্দিনকে সাধারন সম্পাদক সম্পাদক করে নৌকার নতুন প্রজন্ম এর ৫১ সদস্য বিশিষ্ট ভালুকা উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি শফিক উদ্দিন মিন্টু মোল্লা, শাহরিয়ার ইমন রাহাত, মনিরুজ্জামান সুমন, আফতাব উদ্দিন, শেখ জালাল উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শোয়েব আহমেদ খান, আশরাফুল ইসলাম রনি, কামরুল হাসান, হারুন আল মামুন, লোকমান হোসেন ফকির, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমূল হাসান, সবুজ মিয়া, প্রচার সম্পাদক সোহেল রানা, উপ-প্রচার সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক সদরুল ইসলাম রাজু, উপ দপ্তর সম্পাদক রিয়াদ বিন মোশারফ, শিক্ষা ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহবুব আলম রাজিব, সমাজ সেবা সম্পাদক জহির রায়হান, স্বাস’্য বিষয়ক সম্পাদক তানভীর আহমেদ, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক রাজিব হাসান বাবু, ক্রীড়া সম্পাদকসাদেকুর রহমান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক কবির হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রোমান খান, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এস.এম জোবায়ের তুষার, আইন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল রানা, সম্মানিত সদস্য পদে শাহজাহান, শহিদুল ইসলাম সোহে, ইমরান হাসান মোরাদ, মহিউদ্দিন, ইফতেখার আহমেদ ফয়েজ, আবু জাফর, আকরাম হোসেন, ফরহাদ হাসান, মেহেদী হাসান সোহেল, ইমন খান, কে.এম সোহেল রানা, ওয়াহিদুল ইসলাম, আবদুল হামিদ, কামাল হোসেন, ফারুক আহমেদ, রাজিব রায়হান, রফিকুল ইসলাম সুমন, আশিক মিয়া, মেহেদী হাসান টুটুল, সেলিম জাহাঙ্গীর, রাফিন হাসান সাদ্দাম ও আহসান হাবিব কবির। নৌকার নতুন প্রজন্ম ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি জসিম উদ্দিন আকন্দ রনি ও সাধারন সম্পাদক ইশতিয়াক শিকদাার শাহীন এ কমিটি ঘোষনা করেন।




ময়মনসিংহ থেকে

মোশাররফ হোসেন শুভ



ভালুকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইউপি চেয়ারম্যান কে সম্বর্ধনা


বার্তা লাইভ ২৪ ডট কম, ময়মনসিংহ(২ ফেব্রুয়ারি):বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম এর কেন্দ্রীয় মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ায় ময়মনসিংহের ভালুকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে উপজেলার ১০নং হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম কে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

ভালুকা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম জিয়া উদ্দিন বাশারের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক এস এম জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় সম্বর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভালুকা পৌরসভার মেয়র ডা. এ কে এম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম। মহাসচিব হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় সারা দেশের চেয়ারম্যানদের এবং ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত করায় নিজ ইউনিয়নবাসী মোর্শেদ আলম ধন্যবাদ জানান। এসময় প্রেসক্লাব ভালুকার সহ সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান খান সোহেল, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও ভালুকার একমাত্র সাপ্তাহিক আলোর ছোঁয়া পত্রিকার সম্পাদক খলিলুর রহমান, কায়সার আহমেদ মনিরসহ ক্লাব কর্মকর্তা, সদস্য ও বিভিন্ন ইউনিয়নের সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।





ভালুকা বিদ্যুৎ স্পৃস্ট হয়ে মিল শ্রমিকের মৃত্যু



†gv. bRi“j Bmjvg : gqgbwms‡ni fvjyKvq †bvgvb MÖ“‡ci GK I‡qwìs kÖwgK Avwid AvR ïµevi `ycy‡i we`¨yr ¯ú„ó n‡q gviv †M‡Q| cywjk Rvbvq, †bvgvb MÖ“‡ci IB kÖwgK wbgvYv©axb d¨v±ix‡Z I‡qwìs Gi KvR Kivi mgq we`y¨r‡Zi kK †L‡q †`vZjv †_‡K wb‡P c‡i hvq| c‡i AvnZ Ae¯’vq fvjyKv ¯^v¯’¨ Kg‡c­­‡· Avbv n‡j KZ©e¨iZ Wv³vi Zv‡K g„Z †Nvlbv K‡ib| wbnZ Avwi‡di evox MvRxcyi †Rjvi Kvwjqv‰Ki Dc‡Rjvi dzjevwo MÖv‡g| 
তথ্যসূত্রঃ আমাদের সময়  ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০১১ 



2 killed in Bhaluka road crashes

Two people have been killed in separate road accidents at Bhaluka in Mymensingh.

Police said one bicyclist, Moklesur Rahman, 40, of Nishinda village, died on the spot when a speeding microbus ran him over at Nishinda on Dhaka-Mymensingh highway around 11am on Friday.

Officer in-charge of Bhaluka Police Station Narandranath Sarker told bdnews24.com that the deceased hailed from Nishinda village.

In another accident, an unidentified woman was crushed under the wheels of a running truck near Masterbari in the same upazila around 11:30am.

Source: bdnews24.com 20/05/2011

ভালুকায় সরক দুর্ঘটনায় শিশুর মৃত্যু

wbR¯^ msev``vZv ,fvjyKv, gqgbwmsn, 10 ‡g t g½jevi we‡K‡j XvKv-gqgbwmsn gnvmo‡K Dc‡Rjvi AvgZjx bvgK ¯’v‡b  gqgbwmsnMvgx KfvU©f¨vb Pvcvq kwidv Av³vi (6 ) bv‡gi GK wkï NUbv¯’‡jB wbnZ n‡q‡Q | kwidv bv›`vBj Dc‡Rjvi Kvw`icyi MÖv‡gi kwdKyj Bmjv‡gi †g‡q |  NUbvi mgq kwidv Zvi wcZvi nvZ a‡i XvKv-gqgbwmsn gnvmoK cvi nw”Qj|
‡gvt Kvgi“j Gnmvb P›`b
wbR¯^ msev``vZv
fvjyKv gqgbwmsn
10/05/2011

ভালুকায় হত্যা মামলার ফেরারী আসামী গ্রেফতার

fvjyKv (gqgbwmsn) cÖwZwbwa t
MZKvj g½jevi †ejv 2Uvq fvjyKv Dc‡Rjv †cŠi m`‡ii KvVvjx MÖv‡gi GKwU wbR©b evox †_‡K 2006 mv‡j Dc‡Rjvi cyi“ov MÖv‡gi Avãyj jwZd nZ¨v gvgjvi †divi Avmvgx MvRx (30)‡K fvjyKv g‡Wj _vbvi Gm.AvB nvmvb Awfhvb Pvwj‡q Zv‡K †MÖdZvi K‡i| Zvi wei“‡× PvPv Avãyj jwZd nZ¨v gvgjv _vKvq †m `xN©w`b cjvZK wQj|
fvjyKv g‡Wj _vbv cywjk  Rvbvq,  Dc‡Rjvi cyi“ov MÖv‡g Avãyj jwZd Ly‡bi NUbvq fvj~Kv _vbv gvgjv (bs-7 (11)/06, wRAvi-2006/6, aviv-324/34) nZ¨v gvgjv `v‡qj Kiv n‡j †m 5 eQi cjvZK _vKvi ci MZKvj g½jevi KvVvjx Zvi k¦ïovj‡q †_‡K ‡MÖdZvi Kiv nq|
d‡jv-Avc
fvjyKvq mš¿vmx dvi“K MYwcUzbx‡Z wbn‡Zi NUbvq AÁvZ
3k Rb‡K Avmvgx K‡i gvgjv cywjk AvZ‡¼ MÖvg cyi“l k~b¨
fvjyKv (gqgbwmsn) cÖwZwbwa t
MZ (8 †g) iv‡Z fvjyKv Dc‡Rjvi gvgvwikcyi MÖv‡g MYwcUzbx‡Z dvi“K wbnZ nIqvi NUbvq fvjyKv g‡Wj _vbv cywjk ev`x n‡q AÁvZ 3k  Rb‡K Avmvgx K‡i (gvgjv bs-05(9)/11) nZ¨v gvgjv `v‡qi Ki‡j mviv MÖvg Ry‡o weivR Ki‡Q cywjk AvZ¼| MZKvj g½jevi †ejv 2Uvq ¯’vbxq gvgvwikcyi evRvi Mv`ywgqv gvgvwikcy‡i miRwg‡b cÖZ¨¶ Ki‡Z wM‡q †`Lv hvq gvgvwikcyi evRv‡i mKj cÖKvi †`vKvbcvV eÜ i‡q‡Q| †Kb GB ¯—äZv G cÖ‡kœi Rev‡e evRv‡ii e¨emvqx †mvnive †nv‡mb Rvbvb, dvi“K nZ¨v gvgjvi AÁvZ 3k Rb‡K Avmvgx Kivq GjvKvq weivR Ki‡Q cywjwk AvZ¼| †`vKvbcv‡V †jvKRbI Av‡Mi gZ Av‡mbv| iv‡Zi †ejv Mv`ywgqv I gvgvwikcyi MÖv‡g cyi“l Avi N‡i _v‡K bv| mviv¶Y AbvKvw•LZ G AvZ¼ e‡q †eov‡”Q| fvjyKv g‡Wj _vbvi cywjk BbPvR© b‡i›`ª bv_ miKvi ˆ`wbK Z_¨aviv fvjyKv cÖwZwbwa‡K Rvbvb, Avgiv MYwcUzbx‡Z wbn‡Zi cwievi‡K gvgjv ‡`qvi Rb¨ evi evi e‡jwQ| Zviv gvgjvwU bv †`qvq fvjyKv _vbvi Gm.AvB wmivRyj Bmjvg‡K ev`x K‡i AÁvZ 3k Rb‡K Avmvgx K‡i Avgiv gvgjv wb‡qwQ| G wel‡q MÖvgevmxi AvZ‡¼i †Kvb KviY †bB| cÖK…Z A‡_© hviv †`vlx Zv‡`i‡K AvB‡bi AvIZvq G‡b wePvi Kiv n‡e| 
(Gm.Gg Rvnv½xi Avjg)
cÖwZwbwa
fvjyKv, gqgbwmsn|

পৌরসভা নির্বাচনের ফলাফল ২০১১

জেলা: ময়মনসিংহ,উপজেলা: ভালুকা
পৌরসভা:ভালুকা পৌরসভা,প্রাথীর ধরন:মেয়র
মোট ভোটার: ১৮৯৬২
সর্বমোট ভোটকেন্দ্র: ৯ ফলাফল প্রাপ্ত ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ৯

ক্রমিক
নং
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নাম বরাদ্দকৃত প্রতীক প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা
১।
এ কে এম মেজবাহ উদ্দিন আনারস ৭৭৭৯
২। মোঃ ম ফিজ উদ্দীন স রকার দেওয়াল ঘড়ি ৬৬৫৯
৩।
মোঃ রুহুল আমিন দোয়াত কলম ৪৭১
৪।
মোঃ মুনজুরুল হক জাহাজ ১০


বি: দ্র: শুধুমাত্র প্রথম তিন জন প্রার্থীর ভোটের শতকরা ভাগ এবং বাকী প্রার্থীদের একত্রিত ফলাফল প্রদর্শন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন

ভালুকা: মাঠে বিদ্রোহী প্রার্থীরা নেই...

বুধবার, ১২ জানুয়ারী ২০১১
মো। মনিরুজ্জামান খান, ভালুকা (ময়মনসিংহ) থেকে: সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ভালুকা পৌরসভা নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দল একক প্রার্থী মনোনীত করতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে উভয় দল থেকে একাধিক প্রার্থী মেয়র পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত প্রত্যেক দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে বর্তমানে পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন ও ৩টি সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১১ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. এ কে এম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম (আনারস), বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পৌর বিএনপির সদস্য পর পর দু’বার নির্বাচিত বর্তমান মেয়র আলহাজ মফিজ উদ্দিন সরকার (দেয়ালঘড়ি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী রুহুল আমিন (দোয়াত-কলম) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। নির্বাচনে মেয়র পদে ডা. কাইয়ুম ও মজিফ উদ্দিন সরকারের মাঝে দ্বিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। উভয়ই জয়লাভ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী রুহুল আমীনও প্রচারণায় কম যাচ্ছেন না। মেয়র প্রার্থীদের পাশাপাশি কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীরাও প্রচারণায় পিছিয়ে নেই। বর্তমান মেয়র আলহাজ মফিজ উদ্দিন সরকার হ্যাটট্রিক জয়ের স্বপ্ন নিয়ে আটঘাঁট বেঁধে প্রচারণা চালিয়ে গেলেও তার ঘরের শক্রু আপন সম্মন্ধি পুত্র হাজী রুহুল আমীন মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা. মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম জয়লাভে অনেকটাই আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। প্রার্থীদের বিরামহীন ছোটাছুটিতে নির্বাচনী ময়দান এখন সরগরম। সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত চলছে ক্লান্তিহীন প্রচারণা। চূড়ান্ত বিজয় নিশ্চিত করতে প্রতিদিন তারা নিত্যনতুন কৌশল অবলম্বন করে ভোটাদের ঘরে ঘরে হানা দিচ্ছেন। নিজেদের পক্ষে জনমত তৈরি করতে ভোটারদেরকে শুনাছেন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির বাণী। প্রার্থীদের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির বুলি আওড়ানোর সুযোগে নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত পৌরবাসী প্রার্থীদের কাছে নিজেদের না পাওয়ার ক্ষোভের কথা বলতে ছাড় দিচ্ছেন না। প্রার্থীদের নিয়ে ভোটারদের মাঝে চলছে চুলচেরা বিচার বিশ্লেষণ। নির্বাচনকে ঘিরে ভালুকা পৌর শহর এখন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫.৬২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দ্বিতীয় শ্রেণীর এ পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালে। আগামী ১৭ই জানুয়ারি ভালুকা পৌরসভার তৃতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ৩৩ হাজার ৭৭৩ জন জনসংখ্যার পৌরসভার ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ৯৬২ জন। এর মধ্যে ৯ হাজার ৮৫৫ জন পুরুষ ও ৯ হাজার ১০৭ জন মহিলা ভোটার রয়েছেন।
তথ্যসূত্রঃ বাংলার জমিন

ভালুকা থেকে কোটি টাকার কুমির রপ্তানি হচ্ছে জার্মানিতে

বাংলাদেশ থেকে জার্মানিতে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এই প্রথম এক কোটি টাকার কুমির রপ্তানি করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে ৭০ থেকে ১০০টির মতো কুমির রপ্তানি করা হবে। এ রপ্তানির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম কুমির রপ্তানিকারক দেশের তালিকায় নাম লেখাচ্ছে। সরকার গত ১০ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মাঝে একমাত্র বাণিজ্যিকভাবে কুমির চাষ করছে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকার রেপটাইলস ফার্ম লি. । ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার হাতিবেড় গ্রামে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রেপটাইলস ফার্ম লিমিটেড ২০০৪ সালে এ খামারটি প্রতিষ্ঠা করে। শুরুতেই কুমিরের সংখ্যা ছিল ৭৫টি। পরে এসব কুমিরের ডিম থেকে কৃত্রিম উপায়ে বাচ্চা ফোটানো হয়। বর্তমানে এ খামারে ছোট-বড় মিলিয়ে কুমির আছে ৮শ'টির বেশি। আগামী বছর আরও একশ'টি কুমির আমদানি করবে খামার কর্তৃপক্ষ। এ খামারে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিনিয়োগ রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়া মহাদেশের মাঝে একমাত্র বাণিজ্যিকভাবে কুমির চাষ বাংলাদেশেই শুরু হয়। আগামী ৫ বছরের মধ্যে বিশ্বে কুমিরের সবচেয়ে বড় খামার হবে এটি বলে উদ্যোক্তারা আশা করছেন। বর্তমানে বিশ্বের বৃহৎ কুমিরের খামার রয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। কতর্ৃপৰ আশা করছে, ২০১৪ সাল নাগাদ প্রতি বছর চার হাজার কুমির রপ্তানি করে তিন থেকে চার মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হবে। ইতিমধ্যেই ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ বাংলাদেশ থেকে কুমির আমদানির প্রসত্দাব দিয়েছে। বিশ্বে পাঁচ থেকে ছয় শ' মিলিয়ন ডলারের কুমিরের মাংসের বাজার রয়েছে। এ খামারে মূলত লোনা পানির কুমিরের চাষ করা হয়। বিশ্বে লোনা পানি কুমিরের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে থাইল্যান্ড বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লোনা পানির কুমিরের চামড়া, মাংস ও হাড়ের যোগান দিচ্ছে। বিশ্বে সাত প্রজাতির কুমিরের চাষ করা হয়। এর মধ্যে লোনা পানির কুমিরই হচ্ছে সেরা। বাংলাদেশ পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ২০০৪ সালের ৫ মে এ খামার প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়। উদ্যোক্তারা পরে আনত্দর্জাতিক সংস্থা 'সিআইটিইএস'-এর অনুমোদন নিয়ে মালয়েশিয়ার সারওয়াত থেকে সোয়া কোটি টাকা ব্যয়ে ৭৫টি কুমির আমদানি করে। ২০০৪ সালের ২২ ডিসেম্বর কুমিরগুলো খামারে ছাড়া হয়। তখন আমদানি করা কুমিরগুলোর বয়স ছিল গড়ে ১০ থেকে ১৪ বছর। কুমিরগুলো ৭ ফুট থেকে সর্বোচ্চ ১২ ফুট লম্বা ছিল। বিশেষজ্ঞরা জানান, কুমিরের গড় আয়ু ১০০ বছর পর্যনত্দ হয়ে থাকে। আমদানি করা কুমিরের মধ্যে ১৫টি ছিল পুরম্নষ। খামারের কুমিরকে খাবার হিসেবে মাছ ও মাংস দেয়া হয়। রেপটাইলস ফার্ম লিমিটেডেরে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুশতাক আহম্মেদ জানান, গত জুলাই মাসে জার্মানির সঙ্গে কুমির রপ্তানির চুক্তি হয়। তারপর ৩১ আগস্ট প্রধান বন সংরৰকের কাছে কুমির রপ্তানির অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্তহীনতায় তা বিলম্বিত হয়। এতে করে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। ভবিষ্যতে তিনি এ ধরনের ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি জানান। তিনি জানান, আগামী মাসে ইউরোপের কয়েকটি দেশে আরো দেড় থেকে দু'শ' কুমির রপ্তানির প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। রেপটাইলস ফার্ম সূত্রে জানা গেছে, ভালুকা হাতিবেড় গ্রামে প্রায় ১৩ একর জমির মধ্যে ৪ একর জমির মাটি কেটে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ৩২টি পুকুর তৈরি করা হয়েছে। পুকুরগুলোর তলদেশ পাকা এবং ৩ ফুট ইটের উপর ৩ ফুট কাটা তারের বেষ্টনী রয়েছে। কুমির যাতে স্বাভাবিকভাবে নিখাদ প্রাকৃতিক পরিবেশে থেকে জীবনযাপন করতে পারে সেজন্য খামারে ৪০ প্রজাতির প্রায় ৬ হাজার ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়েছে। লাগানো হয়েছে ছোট প্রজাতির কৃত্রিম ঘাস। এর মধ্য দিয়ে খামারটি গড়ে তোলা হয়েছে। গত বছর বিশ্ববাজারের প্রায় ৪০ হাজার কুমিরের চামড়া কেনাবেচা হয়েছে। চীন, তাইওয়ান, জাপান, থাইল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কুমিরের মাংসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, পাপুয়া নিউগিনি, ইন্দোনেশিয়া, চীনসহ প্রায় অর্ধশত দেশে বাণিজ্যিকভাবে কুমিরের চাষ হচ্ছে।

তথ্যসূত্রঃ সাপ্তাহিক দিনবদল ২১-০১-২০১০

ভালুকা ও হালুয়াঘাটে কমলার চাষ শুরু

ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা ও হালুয়াঘাট উপজেলায় সম্ভাবনাময় কমলার চাষ শুরু হয়েছে। এ দুটি উপজেলায় ইতিমধ্যে প্রায় ১৮০ একর জমিতে কমলার বাগান করে ৪১ হাজার কমলার চারা লাগানো হয়েছে।
এসব বাগানে চার থেকে পাঁচ বছরের মাথায় ফল ধরবে এবং পূর্ণমাত্রায় ফল ধরলে প্রায় এক হাজার ৮০০ মেট্রিক টন কমলা উদিত হবে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় আট কোটি টাকা হবে বলে ময়মনসিংহ খামার বাড়ির কমলা উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মকর্তারা ধারণা করছেন।
ময়মনসিংহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, পাহাড়-টিলা, উঁচু ভূমি ও সমতল ভূমির সুনিষ্কাশিত এলাকা কমলা চাষের জন্য উপযোগী। সে অনুযায়ী ভালুকা ও হালুয়াঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকা কমলা চাষের জন্য সম্ভাবনাময়। সে জন্য স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে কমলা চাষে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।
স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালে কমলা উত্পাদনের সমস্যা ও সম্ভাবনার ওপর গঠিত টাস্কফোর্সের মতামতের ভিত্তিতে দেশে ১০টি জেলার ৪০টি উপজেলাকে ২০০৬-০৭ সালে কমলা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আনা হয়। এসব স্থানে কমলার ৬০ হাজার প্রদর্শনী বাগান, দুই হাজার ৩০০টি ব্লক প্রদর্শনী, বসতবাড়িতে ৩৫ হাজার বাগান এবং ২২ হাজার ৭০০টি পুরোনো কমলা গাছ পরিচর্যা প্রদর্শনী স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে কমলা উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। এর মাধ্যমে দেশের এক হাজার ৪২০ হেক্টর জমি নতুনভাবে কমলা চাষের আওতায় এনে ৬০ হাজার কৃষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সরেজমিনে কমলা বাগান পরিদর্শনকালে সম্প্রতি ভালুকা উপজেলার পাড়াগাঁওয়ের কৃষক সিরাজ মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ফসল চাষ করতে ভালো লাগছে। আশা করি ভালো ফলন পাব।’ অপরদিকে হালুয়াঘাট উপজেলার গাবরাখালি গ্রামের জালাল মিয়া বলেন, ‘ভালো ফলন পেলে এলাকার কৃষকেরা ভবিষ্যতে পতিত জমিতে বেশি করে কমলা চাষে এগিয়ে আসবেন।’
ময়মনসিংহ খামার বাড়ির কমলা উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যান উন্নয়ন কর্মকর্তা সাদেক ইবনে শামছ সম্প্রতি প্রথম আলোকে জানান, ভালুকা উপজেলায় ১১০ একর জমিতে প্রায় ২৫ হাজার কমলার চারা রোপণ করা হয়েছে। আর হালুয়াঘাট উপজেলায় প্রায় ৭০ একর জমিতে ১৬ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো ০৬-১২-২০০৯

ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন

ভালুকা বাজার সরগরম
আগামী ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় 'ভালুকা বাজার ব্যবসায়ী সমিতি'র দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ঘিরে জমে উঠেছে পুরো বাজার এলাকা। বাজারের অলিগলি, দোকানের ঝাঁপসহ আশপাশের এলাকা ছেয়ে গেছে পোস্টারে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের কাছে। নির্বাচিত হলে বাজারের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তাঁরা।
বাজারের কাঁচামালের আড়তদার এমদাদুল হক খান ও আবদুর বারেক জানান, জামালপুর, শেরপুর, বগুরা, ঢাকাসহ অন্যান্য এলাকা থেকে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকার কাঁচামাল প্রতিদিন এ বাজারে হাতবদল হয়। ভালুকা পৌরসভার আওতাধীন এ বাজার থেকে প্রতি বছর ১২-১৪ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় হয়। কিন্তু বাজারের রাস্তাঘাট, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় ভুগতে হয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের। মাছের আড়তের জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে সম্প্রতি টিনশেডের ব্যবস্থা করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল। সমিতির নির্বাচনে প্রার্থীরা আশ্বাস দিচ্ছেন, জয়ী হতে পারলে সব সমস্যা মেটাতে সাধ্যমত চেষ্টা করবেন তাঁরা।
১৯৮০ সালের ১ আগস্ট প্রায় ২৫০ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে 'ভালুকা বাজার ব্যবসায়ী সমিতি'। বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা ৭৯৫। এর মধ্যে ৭৬৫ ভোটার আগামী ২৭ জানুয়ারি ভোট দিয়ে দুই বছরের জন্য তাঁদের নেতা নির্বাচন করবেন। এবার সভাপতি পদে মোখলেছুর রহমান (গোলাপ ফুল), ডা. আবদুল খালেক (ছাতা), সাধারণ সম্পাদক পদে মো. শহর ঢালী (রুই মাছ), শওকত আলী (মোরগ), হেলাল উদ্দিন (আনারস), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে নিরঞ্জন বণিক (পাখা), অমূল্য মোহন সরকার (গরুর গাড়ি) ও সাইফুল ইসলাম সবুজ (বাইসাইকেল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তথ্যসূত্রঃ কালের কন্ঠ ২৫-০১-২০১০

ময়মনসিংহের প্রত্যন-পল্লীতে ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (১৯০৯-২০০৯) দিনব্যাপী শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান

গত ১২ জানুয়ারি ময়মনসিংহের প্রত্যন-পল্লীতে ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (১৯০৯-২০০৯) দিনব্যাপী শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী ঘোষণা করেন জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি'ত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান কৃষিবিদ শওকত মোমেন শাহজাহান এমপি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম আমানউল্লাহ এমপি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক লুৎফর চৌধুরী। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে উদযাপিত অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নৃত্যালেখ্য ‘বাংলাদেশের হৃদয় হতে’। আলেখ্যানুষ্ঠানটি পরিবেশন করে ময়মনসিংহ সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র। গ্রন্থনা করেন লুৎফর চৌধুরী ও পরিচালনা করেন বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী সুলতানা রাজিয়া।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৭ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ‘সখীপুর দিবস’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র পরিবেশন করে ‘আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে’ নৃত্যালেখ্য। অনুষ্ঠানটি প্রায় লক্ষাধিক দর্শকশ্রোতা একঘন্টা ব্যাপী উপভোগ করেন। বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান কৃষিবিদ শওকত মোমেন শাহজাহান এমপি, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর মুহম্মদ শামসুল হক প্রমুখ। গ্রন'না করেন লুৎফর চৌধুরী ও পরিচালনা করেন বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী সুলতানা রাজিয়া।

তথ্যসূত্রঃ দশদিক ১৩-০১-২০০৯

ভালুকা ও কমলগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ৬২টি দোকান পুড়ে ছাই

ময়মনসিংহের ভালুকা ও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার অগ্নিকাণ্ডে ৬২টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমা চা-বাগান বাজারে বুধবার রাতে অগ্নিকাণ্ডে ৫০টি দোকান পুড়ে গেছে। বাজারের একটি চায়ের দোকানের চুলা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের মালিকেরা দাবি করেছেন। ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) আবদুল হান্নান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনীয়ার মহিলা মার্কেটে বৃহস্পতিবার ভোররাতে অগ্নিকাণ্ডে ১২টি দোকান পুড়ে গেছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, ০৬-০২-২০১০